চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া টার্মিনালের দায়িত্ব পাচ্ছে মায়ার্সক
চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া টার্মিনাল উন্নয়ন ও পরিচালনার জন্য বৈশ্বিক শিপিং জায়ান্ট এ.পি. মোলার-মায়ার্সকের সঙ্গে একটি চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে এই কথা জানান।
বৈশ্বিক শিপিং জায়ান্ট এ.পি. মোলার-মায়ার্সক একটি ডেনিশ শিপিং ও লজিস্টিকস কোম্পানি, যা সাধারণত সংক্ষেপে ‘মায়ার্সক’ নামেই পরিচিত। এর প্রধান কার্যালয় ডেনমার্কের কোপেনহেগেন শহরে।
এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কন্টেইনার শিপিং কোম্পানি হিসেবে সুপরিচিত। এর অন্যতম প্রধান সহযোগী প্রতিষ্ঠান হলো মায়ার্সক লাইন।
১৯০৪ সালে আর্নল্ড পিটার মোলার এবং তার বাবা পিটার মারস্ক মোলার এই কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন।
কোম্পানিটি শুধু শিপিং সেবা প্রদান করে না, বরং সমন্বিত লজিস্টিকস এবং সরবরাহ চেইন ব্যবস্থাপনা নিয়েও কাজ করে থাকে।
এদিকে, ওই বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্ধারিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশে একটি বড় নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
২০০৮ সালের পর এটি প্রথম পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ মিশন হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ইইউর এই পর্যবেক্ষণ মিশন এখনও চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়নি। তবে এতে ১৫০ থেকে ২০০ সদস্য থাকতে পারে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ নির্বাচনের প্রায় ছয় সপ্তাহ আগে বাংলাদেশে আসবেন, আর বাকিরা ভোটের এক সপ্তাহ আগে যোগ দেবেন।
ঘণ্টা ব্যাপী এই বৈঠকে দুই পক্ষই সুশাসন ও সাংবিধানিক সংস্কার, নির্বাচন প্রস্তুতি, বিচার ও শ্রম সংস্কার, বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক এবং দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রক্রিয়াসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।






