ads

কবি ও সাংবাদিক মুহাম্মদ রহমত আলীর দু’টি কাব্যগ্রন্থ  ‘বিলেতের বৃষ্টি’ এবং ‘আমি যখন চলে যাবো’ নিয়ে প্রকাশনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। 

রবিবার (৩১ জানুয়ারি)  বিকেলে পূর্বলন্ডনের বাঙালি পাড়ায় দর্পণ মিডিয়া সেন্টার কবি, লেখকদের উপস্থিতি ছিলো উৎসব মূখর, যেন এক মিলনমেলা। 

দর্পণ মিডিয়া সেন্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির এসিসটেন্ট সেক্রেটারি কবি আসমা মতিনের সভাপতিত্বে এদুটি গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব ও সাহিত্য আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। 

কমিউনিটির বিশিষ্টজন, কবি, লেখক সাহিত্যপ্রেমিক, সাংবাদিক সকল গুণীজনদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি  সরব হয়ে উঠে। 

সভায় কবি ও সাংবাদিক রহমত আলী তাঁর জীবনের সুখ দুঃখ বৃষ্টি নিয়ে কবির কবিতায় রিমঝিম সুর তাঁর মাকে স্মরণ করে কবি নিজে কবিতা পাঠ করে অশ্রুসিক্ত হন। 
তিনি প্রবাস জীবনে বাঙালিদের কৃতিকর্ম ত‍্যাগ ও অর্জন নিয়ে ব‍্যপক আলোচনা করেন। 

এ প্রকাশনা ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির  সাবেক সভাপতি ডক্টর আনসার উল্লাহ আহমেদ, ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আহাদ চৌধুরী বাবু, লেখক সওদা মুমিন, উপস্থাপক ড. কামরুল হাসান, কবি ড. আজিজুল আম্বিয়া, কমিউনিটি নেতা আবুল হোসেন বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা মুকিদ চৌধুরী, দর্পণ মিডিয়ার ট্রেজারার অধ্যাপক মিসবাহ কামাল, সাংবাদিক মিজবাহ জামাল, আবু ছবুর, মায়রা তাইবা, আবছার হোসেন ও শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা ও.  উপস্থিত সকলেই একমত প্রকাশ করে বলেন- অতীত দিনে বাঙালিদের মধ্যে যাঁরা সমাজের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাঙালির ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছেন সৃজনশীল কাজ করে গেছেন যার ফলে এ যুগের বাঙালিরা এগিয়ে আছেন প্রথম সারিতে বিশ্বের দরবারে। সেই গুণীজনদের পরিচয় জীবনী আর কর্ম নিয়ে আরও বেশি আলোচনা, লেখালেখি করা এবং সেইসব  গুরুত্বপূর্ণ সময়ের কথা বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের অবদান যেনো ইতিহাস হয়ে থাকে, যাতে আগামী প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। অতীতকে মনে রেখে, বর্তমানকে সুন্দর করে, বিলেতে বাঙালিদের ভবিষ্যত সুন্দর হোক ও আগামী প্রজন্মের সাথে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হোক এই প্রত্যাশা ছিল সকলেরই।

আরও খবর