যুদ্ধের চেয়ে নতি স্বীকারকে ভয় পায় ইরান
হামলা শুরুর আগে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। জেনেভায় গত সপ্তাহে দুই পক্ষের মধ্যে সবশেষ আলোচনা হয়। এরই মধ্যে রোববার মার্কিন সাময়িকী দ্য আটলান্টিককে ট্রাম্প বলেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান। তবে গতকাল ইরানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা আলী লারিজানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়।
ইরান যে আর সহজে আলোচনার টেবিলে ফিরবে না, তা আগেই আশঙ্কা করছিলেন বিশ্লেষকদের অনেকে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপনসিবল স্টেটক্রাফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ট্রিটা পারসি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কৌশল ছিল, ইরানে যত বেশি সম্ভব শীর্ষস্থানীয় নেতাকে হত্যা করা, যেন তারা নতি স্বীকার করতে রাজি হয়, কিন্তু এটি ছিল ভুল হিসাব।
আল-জাজিরাকে ট্রিটা পারসি বলেন, ট্রাম্প ভেবেছিলেন, উপসাগরে বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন করলে ইরানিরা ভয় পাবেন এবং নতি স্বীকার করবেন; কিন্তু তিনি বোঝেননি তেহরানের সরকার যুদ্ধের চেয়ে আত্মসমর্পণকেই অনেক বেশি ভয় পায়। ইরানি সরকার মনে করে, তারা যুদ্ধ করে টিকে থাকতে পারবে, কিন্তু আত্মসমর্পণ করলে টিকে থাকতে পারবে না।






