আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম !
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম নাকি এখন কাটাই??
বিকাল হলে সব ছেলেমেয়ে মাঠে বা বাড়ীর আঙিনায় খেলাধুলা হৈচৈ চিল্লাচিল্লি।
এখন ডিজিটাল ডিভাইস এর চ্যাট বা ভিডিও গেম গান বা টিভি।
সন্ধ্যা হলে বাড়ীর বড়মেয়ের দ্বায়িত্ব হলো হারিকেন এর চিমনী পরিস্কার করে রুমে রুমে কুপি বা হারিকেন বাতি দেওয়া। এখন একটা সুইচ সব ফকফকা।
এখনকার বাচ্চারা কি ভাবতে পারবে আমরা ছোটে বেড়িয়েছি বাইস্কোপ প্রচার করা গাড়ীর পিছনে এবং উপজেলা মাঠে হাজার হাজার মানুষ মিলে বোবা(সাউন্ড ছাড়া) মুভি দেখেছি।
বিবিসি খবর শোনার জন্য একটা রেডিও কে ঘিরে অনেক জন। সাউন্ড ক্লিয়ার ছিলো না বলে সবাই পিনপতন নীরবতা।
ব্যাগ বা টিফিন ছাড়া স্কুলে যাওয়ার কথা কি তোমরা ভাবতে পারো? পড়া না পারলে ধুমছে পিডা স্কুলের মাইর খাওয়ার খবর বাড়ীতে আসলে বাড়ীতে দ্বিতীয় দফা---! তারপরও আমাদের মা বাবার জন্য এতো মায়া, বৃদ্ধ কালে সর্বউচ্চ সেবার চেষ্টা করি। সব সময় তাদের মতামতের মূল্য দেই। আর এখন অনেক বাচ্চাদের সাথে তাদের পিতামাতার বন্ডিং মমতার, শ্রদ্ধা-সন্মানের তৈরী হয়না। যদিও আমরা বাচ্চাদের ইচ্ছা অনিচ্ছার প্রাধান্য দেই বেশী, পক্ষান্তরে আমরা ছোটকালে চাওয়া-পাওয়ার ব্যাপকতা বলতে কিছুই ছিলনা।
এক ঈদে শার্ট মিলতো তো পরের ঈদে পেন্ট। কোরবানি ঈদের কিছুই না। আর এখন কয়েক সেট, তার পরেও হ্যাপি না।
আমাদের জীবন মানের অনেক উন্নতি হয়েছে। মাথা পিছু আয়-ব্যয়ে বেড়েছে। ফ্যানও ছিলোনা বড়জোর হাতপাখা। এখন এসি। রান্নার জন্য লাকড়ি বা কেরোসিনের চুলা।
দেশের আয়তন একই, আর মানুষ বেড়ে গেছে দ্বিগুণ। জীবনমান বেড়েছে ফলে বেড়েছে গাড়ী মিলফ্যাক্টরি, এসি, তাই পলিউশন ও তাপমাত্রা বেড়েছে। তাই তো মনে হয় আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম।
(ফেসবুক থেকে)






