ads

ইরান ফুটবল দলের ওপর আরোপিত কঠোর ভ্রমণনীতি শিথিল করার ইঙ্গিত দিয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা কমে আসায় এ বিষয়ে নতুন করে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম টকস্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের প্রধান অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি জানিয়েছেন, ইরান জাতীয় ফুটবল দলের ওপর আরোপিত কঠোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত মার্কিন প্রশাসন।

এমন সময়ে এই বার্তা এলো, যখন ইরান ফুটবল ফেডারেশন ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর আগে লস অ্যাঞ্জেলেসে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি চাইলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয় ইরানের।

ইরান ফুটবল ফেডারেশনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের প্রস্তুতিসূচি যথাসময়ে জমা দেওয়া হলেও আয়োজকদের আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে নানা জটিলতার মুখে পড়েছে দলটি।

দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, “পরিস্থিতি অত্যন্ত পরিবর্তনশীল। এ বিষয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। আমরা চাই মাঠে প্রতিযোগিতামূলক ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকুক। এজন্যই দলের সব কোচ প্রয়োজনীয় ভিসা পেয়েছেন।”

তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, টুর্নামেন্টের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে ইরান দলের অবস্থানের সময়সীমা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে নকআউট পর্বে পৌঁছালে বর্তমান বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান দলকে দেশ ছাড়তে বলা হয়েছিল। বিষয়টিকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দলের অধিনায়ক মেহেদি তারেমি ও প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই।

এদিকে গ্রুপ পর্ব ও রাউন্ড অব ৩২-এর ফলাফলের ওপর নির্ভর করে আগামী ৩ জুলাই ডালাস অথবা ৬ জুলাই সিয়াটলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য এই হাই-প্রোফাইল ম্যাচকে ঘিরে নিরাপত্তা ও লজিস্টিকস বিষয়েও বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

জুলিয়ানি বলেন, “সবকিছুই পরিবর্তনশীল। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখুন।”

সূত্র: টকস্পোর্টস।

আরও খবর